নিজের অপারেশন নিজেই করেছিলেন যে ডাক্তার

নিজের অপারেশন নিজেই করেছিলেন যে ডাক্তার
Leonid Rogozov - লিওনিড রগোজভ

২০১৮ সালে এসেও আজকাল পেপার-পত্রিকায় চোখ বুলালেই চোখে পড়ে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় বা অবহেলায় রোগীর মৃতু, স্বজনের আহাজারী, বিক্ষোভ, ভাংচুর।
আজকাল উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও ডাক্তারের অবহেলায় যাচ্ছে রোগীদের প্রাণ, সেখানে আজ থেকে প্রায় ৫৭ বছর আগেই সফলভাবে নিজের অপারেশন নিজেই করে পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম সেল্ফ সার্জারির উদাহরণ তৈরী করেছিলেন লিওনিড রগোজভ নামের একজন বিখ্যাত শল্য-চিকিৎসক। আজকের ভিডিওটি সেই বিখ্যাত ব্যক্তিকেই নিয়ে।

সময়টা ১ লা মে, ১৯৬১ সাল, বেলা ঠিক দুপুর ২ টো হলেও বাহিরে তীব্র ঠাণ্ডা এবং বিরামহীন তুষার পড়ছিল। স্থানটি যে আন্টার্টিকায় সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীন নোভোলাজারেভস্কায়া মেরু গবেষণা কেন্দ্র।

লিওনিড রগোজভ, ২৭ বছরের যুবক, পেটের ডানপাশের তলার দিকটা ফুলে টনটন করছে, প্রচন্ড জ্বর সাথে বমিবমি ভাব। সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে ১৩ জনের এই গবেষণা দলের তিনিই একমাত্র ডাক্তার সদস্য হয়ে এসেছেন প্রাণহীন এই বরফের উপত্যকায় এবং তা প্রায় আটমাস হল। লক্ষণ দেখে তিনি একপ্রকার নিশ্চিত ছিলেন যে এটি অ্যাপেন্ডিসাইটিস।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস এমন কিছু মারাত্মক ব্যাপার নয়, তবে ফেটে গিয়ে সংক্রমণ হওয়া এড়ানোর একটাই উপায় হল সার্জারি করে ওটাকে কেটে বাদ দেওয়া। সমস্যাটা এখানেই, সার্জারি করবে কে? কাছাকাছি এবং একমাত্র সাহায্য বলতে ষোলশ কিমি দূরের মিরনি গবেষণা কেন্দ্র, কিন্তু মারাত্মক মরুঝড়ের কারণে কোনো প্রকার উড়ানের সুবিধা না থাকায় সেখানে পৌঁছানোর সহজ কোনো উপায় ছিল না।

অগত্যা, সিদ্ধান্তটি নিয়েই ফেললেন লিওনিড। কি আর করার, নিজের সার্জারি নিজেই করবেন তিনি। সহকারী হিসেবে রইলেন এক আবহবিৎ আর এক ড্রাইভার। একজন ছুরি, কাঁচি ইত্যাদি ধরিয়ে দেবেন এবং অন্যজন লিওনিড এর সামনে ধরে থাকবেন একটি আয়না।
অতঃপর আধশোয়া হয়ে ডানদিকের তলপেটের দশ বারো সেমি পেটের চামড়া, তলার ফ্যাসা ও পেশী ইত্যাদি নিয়মমাফিক কেটে পৌঁছে গেলেন অকুস্থলে। আয়না দেখে কাটতে গিয়ে কেটে ফেললেন বৃহদান্ত্রের কিছুটা। মাথা ঠাণ্ডা রেখে নিজেকেই সেটা সেলাই করতে হল এবং ইতিমধ্যে তার মাথাটা বেশ ঝিমঝিম করছে।

যাই হোক, অবশেষে অ্যাপেনডিক্সটা তিনি দেখতে পেলেন। গোড়ার কাছটা কালো হয়ে ঢোল হয়ে আছে। ওটাকে সাবধানে কেটেকুটে সব সেলাই করতে চারটে বেজে গেল, আর পৃথিবীর প্রথম সেল্ফ সার্জারির উদাহরণ তৈরী হয়ে গেল সেই দিন।

মারাত্মক ঠান্ডায় সংক্রমণ না হওয়ার সুবিধায় দুই সপ্তাহের মধ্যেই লিওনিড একেবারে সুস্থ হয়ে গেলেন। তবে খবরটা ছড়িয়ে পড়ল এবং বেশ আড়োলন সৃষ্টি হল, বিশেষত নিজের দেশে। সোভিয়েত সরকার ওই বছরই 'অর্ডার অফ দ্য রেড ব্যানার অফ লেবার' সম্মানে ভূষিত করলেন লিওনিড রগোজভকে।

অতঃপর ১৯৬২ সালের অক্টোবরে অভিযান শেষ করে দেশে ফিরে এম, ডি করলেন সার্জারিতে এবং সেন্ট পিটার্সবার্গ রিসার্চ ইনস্টিটিউটে সার্জারি বিভাগের হেড অফ দ্য ডিপার্টমেন্ট হলেন তিনি।
দুহাজার সালে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সেন্ট পিটার্সবার্গেই মৃত্যু হয় বিখ্যাত এই সার্জনের। এমনি যোগ্যতাসম্পন্ন চিকিৎসকই আমাদের কাম্য যাতে ভুল চিকিৎসায় আর একটিও প্রান না যায়।

এক হাতে বিশ্ব জয়ের গল্প - কেরলি টাকাস

এক হাতে বিশ্ব জয়ের গল্প - কেরলি টাকাস
কেরলি টাকাসের গল্প বাংলায়

আস্সালামুআলাইকুম বন্ধুরা, জীবন চলার পথে আমরা প্রত্যেকেই কোনো না কোনো সময় নানা প্রতিকুলতার সম্মুখীন হই এবং এই প্রতিকূলতার কারণেই আমরা কোনো কোনো সময় ব্যর্থ হই, কিংবা আমাদের স্বাভাবিক জীবন চলার পথে কিছুটা ব্যঘাত ঘটে। আর সেই ব্যর্থতা বা না পাওয়ার গ্লানিতে ডুবে না থেকে নতুন উদ্যমে নতুনভাবে জীবনটাকে শুরু করার ইচ্ছা, চিন্তা এবং কর্মশক্তি আমরা হারিয়ে ফেলি। কিন্তু সেই না পাওয়ার ব্যথা, গ্লানি সব ভুলে ইচ্ছাশক্তিকে কর্মশক্তিতে রূপান্তরিত করে একাগ্রতা, অধ্যবসায়, নিষ্ঠা এবং হার না মানা প্রত্যয় দিয়ে নতুনভাবে জীবন শুরু করে এবং সফল হয়ে পুরো বিশ্বের বুকে উদাহরণ হয়ে আছেন ইউরোপের হাঙ্গেরির একজন আর্মি। জিনি এক হাত দিয়েই অলিম্পিকে পরপর দু’বার পিস্তল শ্যুটিংয়ে স্বর্ণ জয়ের রেকর্ড করে গড়েছেন অনন্য কীর্তি।

হ্যা বন্ধুরা, ১৯১০ সালের ১০ জানুয়ারি, হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্ট শহরে কেরোলি টাকাসের জন্ম। পড়াশনা শেষ করেই তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে। পিস্তল শুটিংয়ে বেশ আগ্রহ থাকায় তিনি নিয়মিত অনুশীলন শুরু করেন এবং মাত্র ২৬ বছর বসসেই তিনি জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান দখল করে শ্রেষ্ট শুটার হিসেবে বিবেচিত হন।

কিন্তু তার লক্ষ্য ছিল অলিম্পিকে স্বর্ণ জয় করা এবং তিনি নিজেকে তৈরি করছিলেন ১৯৩৬ সালের অলিম্পিকে স্বর্ণ জয়ের জন্যে। হাঙ্গেরিয়ান আর্মির নিয়মে শুধুমাত্র কমিশনাররা অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করতে পারতেন। একারণেই আর্মির একজন সার্জেন্ট হওয়ায় কেরোলির নাম দেওয়া হলো না ১৯৩৬ সালের অলিম্পিকে।

হতাশ না হয়ে কেরোলি লক্ষ্য ঠিক করলেন পরের অলিম্পিকে। কিন্তু ১৯৩৮ সালে এক আর্মি ট্রেনিংয়ের সময় তার ডান হাতে একটি গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়, যে হাতের উপর নির্ভর করে স্বপ্ন দেখা অলিম্পিক জয়ের। হতাশা তাকে ঘিরে ধরতে শুরু করেছে, কিন্তু তিনি নিজেকে সকলের সান্ত্বনার পাত্র হিসেবে বেছে নিতে নারাজ ছিলেন, এক হাত হারালে কি হবে ? আরেক হাত তো আছে। আর তাই তিনি ১ মাস চিকিৎসার পর আবার অনুশীলন শুরু করলেন।

এক বছর পর, ১৯৩৯ সালে বিশ্ব পিস্তল শ্যুটিং চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হলে সকলকে অবাক করে দিয়ে কেরোলি তার একমাত্র অবলম্বন বাম হাতেই জিতে নিলেন প্রতিযোগিতা টি।
কিন্তু দুর্ভাগ্য যেন পিছু ছাড়ছিল না কেরোলির। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যুদ্ধের জন্যে বাতিল হয়ে গেল ১৯৪০ ও ১৯৪৪ সালের অলিম্পিক।

এবার হয়তো অনেকেই ভাবছেন, আর কত? এবার নিশ্চয় কেরোলির সকল স্বপ্নকে পেছনে ফেলার অপেক্ষা। কিন্তু কিছুই যেন তাকে থামিয়ে রাখতে পারে না তার লক্ষ্যবস্তু থেকে।
অবশেষে ১৯৪৮ সালে অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হল এবং তখন কেরোলির বয়স ৩৮। যেকোনো খেলায় নবীনদের সাথে প্রতিযোগিতা করা বেশ কষ্টসাধ্য। কিন্তু পুরো পৃথিবীকে অবাক করে দিয়ে যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত অলিম্পিকে শ্যুটিংয়ে স্বর্ণ জয় করলেন কেরোলি। এই প্রাপ্তি যেন আনুষ্ঠানিকতা মাত্র, যার বীজ পোঁতা হয়েছিল অনেক আগেই।

অনেকেই ভাবতে পারেন, এবার হয়তো কেরোলি তার সাধনায় লাগাম টেনে ধরেছেন। কিন্তু কেরোলি সেই মানসিকতায় গড়া ছিলেন না। তিনি নতুন উদ্যমে লেগে পড়লেন ১৯৫২ সালের অলিম্পিকের জন্যে এবং সেবারও স্বর্ণ জয় করলেন তিনি।

সেই সময় পর্যন্ত অলিম্পিকে একই ইভেন্টে পরপর দু’বার স্বর্ণজয় ছিল কেরোলির তৈরি এক বিশ্বরেকর্ড। আর কেরোলি ছিলেন তৃতীয় এমন ব্যক্তি যিনি শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও অলিম্পিকে স্বর্ণ জয়ের স্বাদ পেয়েছিলেন। ১৯৭৬ সালের ৫ জানুয়ারি ৬৫ বছর বয়সে হার না মানা এ বীর মৃত্যুবরণ করেন।

আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে অনেক না পাওয়ার ক্রন্দন, আর্তনাদ এবং বিশাল এক অজুহাতের তালিকা। ‘পারব না’ বা ‘পারছি না’ শব্দগুলো ঢুকে গেছে আমাদের অস্থিমজ্জায়।
যদিও আজকের প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে পাওয়ার চাইতে না পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে চলেছে ঠিকই, কিন্তু চেষ্টা ও একাগ্রতার কাছে লক্ষ্যজয় কখনো অসম্ভব নয়।

কেরোলি তাই শুধু একজন অলিম্পিক বিজয়ী নন, তার জীবনী হলো চেষ্টা ও একাগ্রতা দিয়ে অসম্ভবকে সম্ভব করার জ্বলন্ত উদাহরণ এবং তার এই হার না মানা জীবনী থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরাও এগোতে পারি আমাদের জীবনের লক্ষ্যের দিকে প্রতিকূলতার বাঁধ ভেঙে দিয়ে।

তো বন্ধুরা লেখাটি ভালো লাগলে বনবধূদের সাথে শেয়ার করুন।  প্রতিদিন ট্রিকিটক ভিজিট করে আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাঁচানোর সহজ কিছু উপায়। সকলের জন্য দরকারি একটি ট্রিকস

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাঁচানোর সহজ কিছু উপায়। সকলের জন্য দরকারি একটি ট্রিকস
not enough space android problem fixing


বর্তমান সময়ে এন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করে না এমন কম সংখ্যক লোক আছে।  কিন্তু বেশিভাগ সময় আমরা মেমরি এই মেসেজ টা পাই অধিক এ্যাপস ইনস্টল হয়ে থাকার কারণে। তবে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলে সহজেই অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অনেকটা জায়গা বাঁচিয়ে নেয়া যায়।
তাহলে চলুন জেনে নিয়ে যাক এন্ড্রয়েড ফোনের স্টোরেজ বাঁচনোর উপায় সমূহ:

১. পুরোনো ফাইল ও এ্যাপের ফোল্ডার  ডিলিট করে দিন

আমরা অনেক পুরোনো অব্যাবহৃত ফাইল ডিলিট করতে ভুলে যাই। তাই সেগুলো সিলেক্ট করে ডিলিট করে দেবেন। দেখবেন, অনেকটা হালকা হবে ফোনটি!

২. ফোন স্টোরেজ থেকে ফাইল সরিয়ে নিন

ফোন থেকে সকল ফাইল সরিয়ে কার্ডে নিয়ে যান।

৩. ডাউনলোড স্টোরেজ পরিবর্তন

শেয়ারইট, ব্রাউজার, ক্যামেরার ডিফল্ট ডাউনলোড স্টোরেজ পরিবর্তন করে এসডি কার্ড করে দিন।

৪.এসডি কার্ডে এ্যাপ ইনস্টল

সব এ্যাপস ফোন মেমোরিতে না রেখে কিছু এ্যাপ এসডি কার্ডে মুভ করুন। এতে প্রচুর স্টোরেজ বাঁচবে। এ্যাপস ম্যানেজার এ গিয়ে স্টোরেজ এর ভিতর চেঞ্জ স্টোরেজ নামে অপসন এ গিয়ে এটি করে নেবেন।

৫. লাইট এ্যাপস ব্যবহার করুন

ফেইসবুক, মেসেঞ্জার, টুইটার, স্কাইপ সব কিছুর লাইট ভার্সন এ্যাপ ব্যবহার করুন। এগুলো খুব অল্প সাইজের এবং ফাস্ট হয়ে থাকে।

৬. ক্লিনার এ্যাপ ব্যবহার করুন

Clean Master এ্যাপটি ইনস্টল করুন। এটার মাধ্যমে জাঙ্ক ফাইল, এ্যাপস আনইনস্টল করার পর অপ্রয়োজনীয় ফোল্ডার এবং ফাইল ক্লিন হয়ে যাবে ক্লিন হয়ে যাবে। এছাড়া, ব্যাকগ্রাউন্ড এ চলা এ্যাপসগুলো হাইবারনেট বা বন্ধ হয়ে যাবে এক ক্লিকে। এক এক করে বন্ধ করতে হবে না।

এক নজরে এটার ফীচার সমূহ:
  • Junk cleaner (JUNK FILES)
  • Free Antivirus
  • Battery Saver
  • RAM Cleaner
  • Processor Cooler
  • Boost Phone
  • Private Photo/Video (Photo/ Video hide option)
এছাড়া আরো দরকারি অনেক ফীচার আছে এই এ্যাপে।

লেখাটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।

যেভাবে ডিস্ক/পেনড্রাইভ ছাড়া উইন্ডোজ ১০ সেটআপ/রিসেট দেবেন

যেভাবে ডিস্ক/পেনড্রাইভ ছাড়া উইন্ডোজ ১০ সেটআপ/রিসেট দেবেন
উইন্ডোজ ১০ রিসেট দেয়ার পদ্ধতি


আমরা অনেকে পুরোনো উইন্ডোজ ১০ এর ডিস্ক দিয়ে উইন্ডোজ সেটআপ বা ইনস্টল করে থাকি। ফলে, আপডেটেড উইন্ডোজ ডিলিট হয়ে পুরোনো উইন্ডোজ ইনস্টল হয়। ফলে, নেট কানেকশন পাওয়া মাত্র আপডেট শুরু হয়ে যায়। যার জন্য ইন্টারনেট এতোই স্লো হয় যে. সিম মডেম এর ইন্টারনেট দিয়ে নেট চলেই না। এমনকি ব্রডব্যান্ড প্রোভাইডারও আপনার অভিযোগের জ্বালায় অতিষ্ট হয়ে যায়।

এই সমস্যার সমাধান হলো উইন্ডোজ রিসেট। কম্পিউটার স্লো হলে, লোকাল ডিস্ক বোঝাই হলে বা যেকোনো সমস্যা হলে উইন্ডোজ ১০ রিসেট দিয়ে তা  ঠিক করা যায়। রিসেট করার মাধ্যমে আপনার কম্পিউটার একদম নতুন হয়ে যাবে। কিন্তু আপনার আপডেটেড উইন্ডোজ ডিলেট হবে না।

যেভাবে উইন্ডোজ ১০ রিসেট দেবেন তা স্টেপ বাই স্টেপ স্ক্রিন শট সহ দেখানো হলো:

Update & setting > Recovery > Reset This PC > Get Started > Keep My Files > Next > Reset

এরপর, রিসেট হওয়া শুরু হবে এবং পিসি রিস্টার্ট নেবে।

1. Update & Security



2. Recovery


3. Reset This PC > Get Started


4. Keep My Files > Next > Reset


রিসেট হওয়ার পর কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়ে কম্পিউটার একদম ক্লিন হয়ে যাবে। যেসব কারণ আমরা কম্পিউটার উইন্ডোস ডিস্ক দিয়ে সেটআপ দিয়ে থাকি। সেইসব সমস্যার সম্মুখীন হলে আপনি উইন্ডোস ১০ এর এই রিসেট অপসন এর মাধ্যমে সমাধান করতে পারবেন।

এই পোস্টটি ফেইসবুক এ শেয়ার করার মাধ্যমে টাইমলাইনে সেভ করে রাখুন। এই পোস্ট এর নিচে উইন্ডোস ১০ এর সকল টিপস এন্ড ট্রিকস পোস্ট করা হবে এবং লিংক আপডেট করা হবে।

নম্বর ঠিক রেখেই অপারেটর পরিবর্তন করার নিয়ম

নম্বর ঠিক রেখেই অপারেটর পরিবর্তন করার নিয়ম
মুঠোফোন গ্রাহকদের জন্য মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি বা এমএনপি সেবা

নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর পরিবর্তন করতে খরচ হচ্ছে ১৫৮ টাকা। এই সেবা চালু হয়েছে ১ অক্টোবর ২০১৮ সোমবার থেকে। বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালে মুঠোফোন গ্রাহকদের জন্য মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি বা এমএনপি সেবা চালুর এ উদ্যোগ নেয়। এর চার বছরের মাথায় নানা যাচাই বাছাইয়ের পর এ সেবা চালু করা হলো।

নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর পরিবর্তনের জন্য তার নিকটস্থ সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটর কাস্টমারকেয়ারে গিয়ে প্রয়োজনীয় ফী প্রদান করে। পুরোনো নম্বর সংবলিত নতুন সিম কার্ড নিতে হবে।

মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি বা এমএনপি সেবার ফি কত

অপারেটর পরিবর্তন করতে নম্বর প্রতি ফি ৫৭ টাকা ৫০ পয়সা (ভ্যাটসহ)। নম্বর ঠিক থাকলেও পুরোনো সিমটির পরিবর্তে নতুন সিম কার্ড নিতে হবে। এর জন্য রিপ্লেসমেন্ট ফি ১০০ টাকা দিতে হবে। অর্থাৎ গ্রাহককে মতো খরচ করতে হবে ১৫৭ টাকা ৫০ পয়সা। নতুন সিমে এই সুবিধা চালু হতে সময় লাগবে সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টা।
তবে অপারেটর পরিবর্তনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে এ সুবিধা চালু করতে বাড়তি ১০০ টাকা দিতে হবে। এর সঙ্গে যোগ হবে ১৫ শতাংশ ভ্যাট।

শর্তাবলী:
  • নতুম সিমে সেবার চালু হতে সময় লাগবে ২৪ ঘন্টা।
  • আবার অন্য অপারেটরে যেতে চাইলে ৯০ দিন পর সেটা করা যাবে।

বিটিআরসির মতে, এই সেবা চালুর মাধ্যমে অপারেটরদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়বে। 

চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যার সমাধান

চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যার সমাধান
চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যার থেকে মুক্তি উপায়

চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা নিয়ে প্রায় সবার মনেই একই রকম কিছু প্রশ্ন কাজ করে। যেমন, চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা কি ঠিক হয়? চশমার পাওয়ার কমানোর কি কোনো উপায় আছে? চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা সমাধানের কি কোনো ওষুধ আছে? কিছুদিন পর পর চশমার পাওয়ার বাড়ে কেন? চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা স্থায়ী সমাধান কি?
প্রথমে জানা দরকার,

চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা কেন হয়?

  • চোখের সঠিক বিশ্রাম না হলে।
  • কাছ থেকে থেকে টিভি দেখলে, অতিরিক্ত স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে।
  • আঘাত জনিত কারণে।
  • চোখে সানি পড়লে।
  • বংশগত কারণে।
  • পুষ্টির অভাবে।
  • শারীরিক দুর্বলতার কারণে।
  • চোখের কোনো অসুখ হলে।
আপনার যদি চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা অর্থাৎ মাইয়োপিয়ার (সল্পদৃষ্টি) সমস্যা হয়, তাহলে আপনাকে অতিদ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ডাক্তার চশমা দিলে সেটা ব্যবহার করতে হবে। নয়তো দীর্ঘমেয়াদী বড় কোন সমস্যা হতে পারে।

কিছুদিন পরপর চশমার পাওয়ার বাড়ে কেন?

মানুষের শারীরিক পরিবর্তন/বৃদ্ধি ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত হয়ে থেকে। ধরুন, কারো যদি ১৫ বছরে মাইনাস ১.৫০ লাগে, তাহলে, ১৮ বা ২০ বছরে মাইনাস ৩.০০ লাগতে পারে।  কারো পাওয়ার বাড়ার হার বেশি, কারো কম। অনেকে একটি নিদৃষ্ট পাওয়ার নিয়ে সারা জীবন কাটিয়ে দেয়। চশমার পাওয়ার কমার সম্ভাবনা কম। তবে, অনেক ব্যাতিক্রম আছে, আল্লাহ চাইলে ঠিকও হতে পারে। যত্ন ও চিকিৎসা নিলে পাওয়ার স্থিতিশীল থাকে।  তাই, ২০-২৫ বছর পর্যন্ত চোখের ভালোভাবে যত্ন নিন।

চশমার পাওয়ার না বাড়ার জন্য করণীয় কি?

চশমার পাওয়ার যাতে না বাড়ে তার জন্য কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন। একজন সুস্থ্য মানুষের চোখের জন্যও এসব নিয়ম মেনে চলা খুবই জরুরী।

১। বই পড়া, মোবাইল-কম্পিউটার, টিলিভিশন স্ক্রিন দেখার সময় ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ড করে চোখ বন্ধ করে রাখুন।
২। একটানা বই, মোবাইল-কম্পিউটার কিংবা টিভি স্ক্রিনে তাকিয়ে না থেকে কিছুক্ষণ পর পর দুরের জিনিস তাকান।
৩। কম আলোতে চোখের কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। যেমন, বই পড়া, সেলাই করা, টিভি দেখা ইত্যাদি।
৪। অন্ধকার ঘরে মোবাইল, কম্পিউটার, টেলিভিশনের উজ্জল স্ক্রিন দেখা একদমই বাদ দিন।
৫। ঘুমের আগে মোবাইল টেপা থেকে বিরত থাকুন। কারণ, এসময় মোবাইল ব্যবহারের অভ্যাস থাকলে অনিদ্রা রোগ হতে পারে এবং চোখের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।
৬। মাথা ব্যাথা করলে ডাক্তারে কাছে যান। কারণ, পাওয়ারের অসংগতি, কম বা বেয়ি হলে মাথা ব্যাথা হতে পারে।
৭। অনেকের মিস্টি জাতিয় খাবার খেলে মাথা ব্যাথা, চোখে অলসভাব আসে। সেক্ষেত্রে মিস্টিজাত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন।
৮। প্রচুর সবুজ শাক-সবজি খান। বিশেষ করে, সজনে পাতা, কচু চোখের জন্য খুবই উপকারী।

চোখের পাওয়ার জনিত সমস্যা সমাধানের কোনো ওষুধ আছে কি?

মাথা ব্যাথা করলে যেমন প্যারাসিটামল খেলে সেরে যায়, বা টাইফয়েড হলে যেমন এন্টিবায়টিক খেলে বা ইনজেকশন দিলে সেরে যায়। চোখের পাওয়ার জনিত সমস্যার বিষয়টা ঠিক তেমন নয়। চোখের সমস্যার কারণ নির্ধারন করে সেটার চিকিৎসা করলে চোখ ঠিক হতে পারে। তাছাড়া, ডাক্তাররা বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে আপনাকে ওষুধ দেয়। এজন্য, ডাক্তারদেরকে দেখার সমস্যার পাশাপাশি, পানি পড়ে কি না, চোখ চুলকায় কি না, এলার্জি আছে কিনা বিস্তারিত বলতে হয়। সব ডাক্তার এসব বিষয় নিজে থেকে জিজ্ঞেস করে নেয়।

তবে, এখন পর্যন্ত কোনো চিকিৎসক নিশ্চয়তা দিতে পারবে না যে চশমা পড়লে আপনার চোখ একেবারই ঠিক হবে। তারা শুধু এটা গ্যারান্টি দেয় , চশমা পড়লে আপনি ভালো থাকবেন। চোখের জটিলতা বাড়বে না।

চোখের মাইনার পাওয়ার জনিত সমস্যা স্থায়ী সমাধান

চোখের সমস্যার কারণে চাকরি কিংবা চলার পথে যখন বাধার সম্মুখীন হবেন, তখন এই সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধানের কথা মনে পরে। আর তা হলো ল্যাসিক সার্জারি (Lasik Surgery)। এটাই সর্বাধুনিক চিকিৎসা। ল্যাসিক করানোর পর আপনার সারাজীবন আর দূরের জিনিস দেখতে সমস্যা হবে না।

আরো পড়ুন: ল্যাসিক কি? ল্যাসিক এর খরচ কত? বাংলাদেশে ল্যাসিক সার্জারির স্থান সমূহ ও বিস্তারিত

ল্যাসিক কি? ল্যাসিক এর খরচ কত? বাংলাদেশে ল্যাসিক সার্জারির স্থান সমূহ ও বিস্তারিত

ল্যাসিক কি? ল্যাসিক এর খরচ কত? বাংলাদেশে ল্যাসিক সার্জারির স্থান সমূহ ও বিস্তারিত
আস্সালামুআলাইকুম বন্ধুরা, ল্যাসিক কি? ল্যাসিক এর খরচ কত? বাংলাদেশে ল্যাসিক সার্জারির স্থান সমূহ ও বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আজকের লেখা। তাই, আর  কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

femtosecond lasik technology
bettervisionguide.com

ল্যাসিক কি?

সাধারণত দূরে বা কাছে যাদের দেখতে সমস্যা হয়, মূলত যাদের জন্য ল্যাসিক সার্জারি। যারা দৃষ্টিশক্তির সমস্যার কারণে (+) বা (-) চশমা ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রেই বেশীরভাগ সময় চিকিৎসকগণ ল্যাসিক সার্জারি করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে ঠিক এগুলো ছাড়াও আরো কিছু চিকিৎসায় lasik সার্জারি করা হয়। লেজার রশ্মির মাধ্যমে এ সার্জারি করা হয়। ব্যাথাহীন, ঝুঁকিমুক্ত এ সার্জারি।

ল্যাসিক করার বয়স এবং সময়:

১৮ বছরের নিচে নয়, ২০ বছরে করলে বেশি ভালো হয়। তবে ২০ এর পর ২৫ এর আগে করাই উত্তম সময়। অর্থাৎ বয়স বাড়ার সাথে সাথে চোখের বৃদ্ধি /পরিবর্তন স্থিতিশীল হয়। তাই দেরিতে করাই উত্তম।

ল্যাসিক প্রযুক্তির প্রকারভেদ:

১) Microkeratome (মাইক্রোকেরাটোম) নামক যান্ত্রিক অতিসূক্ষ্ম একটি ব্লেড ব্যবহার করে।
২) Femtosecond (ফেমটোসেকেন্ড) নামে এক ধরনের Laser প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এতে কোন ব্লেড ব্যবহৃত হয় না বিধায় অধিক নিরাপদ।

ল্যাসিক এর খরচ কত এবং ল্যাসিক কোথায় করানো হয়?

ঢাকার মধ্যে কয়েকটি জায়গায় ল্যাসিক করানো হয়। ওএসবি ল্যাজার ভিশন সেন্টার তার মধ্যে একটি। মিরপুর – ২, হার্ট ফাউন্ডেশনের পাশে এর অবস্থান। খরচ প্রতি চোখ ১৭৫০০/=, সেই হিসাবে দুই চোখ ৩৫০০০/= (২০১৫ এর তথ্য অনুযায়ী)। ল্যাসিক প্রযুক্তির প্রকারভেদ অনুযায়ী খরচ কম বেশি হতে পারে। আর সার্জারী করতে পারবেন কিনা তার জন্য কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হবে, যাকে বলে প্রি ল্যাসিক, খরচ পরবে ২৫০০/=।  ল্যাসিক করানোর আগে প্রি ল্যাসিক টেস্ট বাধ্যতামূলক। এটার উপর নির্ভর করবে আপনার চোখ ল্যাসিক করার উপযুক্ত কি না।

আরো বিস্তারিত জানতে:

ল্যাসিক নিয়ে এনটিভির স্বাস্থ প্রতিদিন অনুষ্ঠানে ডাক্তার সিদ্দিকুর রহমানের বিস্তারিত আলোচনা শুনুন (ভিডিও)।

চশমার বিকল্প ল্যাসিক - এ টি এন বাংলার ফার্স্ট এইড নামক অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. শেখ এম এ মান্নাফ এর এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুনুন (ভিডিও)।


আরো পড়ুন: চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যার সমাধান

আপনার প্রশ্ন ও মতামত জানিয়ে কমেন্ট করুন। পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ।