চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যার সমাধান

চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যার সমাধান
চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যার থেকে মুক্তি উপায়

চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা নিয়ে প্রায় সবার মনেই একই রকম কিছু প্রশ্ন কাজ করে। যেমন, চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা কি ঠিক হয়? চশমার পাওয়ার কমানোর কি কোনো উপায় আছে? চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা সমাধানের কি কোনো ওষুধ আছে? কিছুদিন পর পর চশমার পাওয়ার বাড়ে কেন? চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা স্থায়ী সমাধান কি?
প্রথমে জানা দরকার,

চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা কেন হয়?

  • চোখের সঠিক বিশ্রাম না হলে।
  • কাছ থেকে থেকে টিভি দেখলে, অতিরিক্ত স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে।
  • আঘাত জনিত কারণে।
  • চোখে সানি পড়লে।
  • বংশগত কারণে।
  • পুষ্টির অভাবে।
  • শারীরিক দুর্বলতার কারণে।
  • চোখের কোনো অসুখ হলে।
আপনার যদি চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যা অর্থাৎ মাইয়োপিয়ার (সল্পদৃষ্টি) সমস্যা হয়, তাহলে আপনাকে অতিদ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। ডাক্তার চশমা দিলে সেটা ব্যবহার করতে হবে। নয়তো দীর্ঘমেয়াদী বড় কোন সমস্যা হতে পারে।

কিছুদিন পরপর চশমার পাওয়ার বাড়ে কেন?

মানুষের শারীরিক পরিবর্তন/বৃদ্ধি ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ২০ বছর পর্যন্ত হয়ে থেকে। ধরুন, কারো যদি ১৫ বছরে মাইনাস ১.৫০ লাগে, তাহলে, ১৮ বা ২০ বছরে মাইনাস ৩.০০ লাগতে পারে।  কারো পাওয়ার বাড়ার হার বেশি, কারো কম। অনেকে একটি নিদৃষ্ট পাওয়ার নিয়ে সারা জীবন কাটিয়ে দেয়। চশমার পাওয়ার কমার সম্ভাবনা কম। তবে, অনেক ব্যাতিক্রম আছে, আল্লাহ চাইলে ঠিকও হতে পারে। যত্ন ও চিকিৎসা নিলে পাওয়ার স্থিতিশীল থাকে।  তাই, ২০-২৫ বছর পর্যন্ত চোখের ভালোভাবে যত্ন নিন।

চশমার পাওয়ার না বাড়ার জন্য করণীয় কি?

চশমার পাওয়ার যাতে না বাড়ে তার জন্য কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন। একজন সুস্থ্য মানুষের চোখের জন্যও এসব নিয়ম মেনে চলা খুবই জরুরী।

১। বই পড়া, মোবাইল-কম্পিউটার, টিলিভিশন স্ক্রিন দেখার সময় ২০ মিনিট পর পর ২০ সেকেন্ড করে চোখ বন্ধ করে রাখুন।
২। একটানা বই, মোবাইল-কম্পিউটার কিংবা টিভি স্ক্রিনে তাকিয়ে না থেকে কিছুক্ষণ পর পর দুরের জিনিস তাকান।
৩। কম আলোতে চোখের কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। যেমন, বই পড়া, সেলাই করা, টিভি দেখা ইত্যাদি।
৪। অন্ধকার ঘরে মোবাইল, কম্পিউটার, টেলিভিশনের উজ্জল স্ক্রিন দেখা একদমই বাদ দিন।
৫। ঘুমের আগে মোবাইল টেপা থেকে বিরত থাকুন। কারণ, এসময় মোবাইল ব্যবহারের অভ্যাস থাকলে অনিদ্রা রোগ হতে পারে এবং চোখের উপর খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।
৬। মাথা ব্যাথা করলে ডাক্তারে কাছে যান। কারণ, পাওয়ারের অসংগতি, কম বা বেয়ি হলে মাথা ব্যাথা হতে পারে।
৭। অনেকের মিস্টি জাতিয় খাবার খেলে মাথা ব্যাথা, চোখে অলসভাব আসে। সেক্ষেত্রে মিস্টিজাত খাবার খাওয়া কমিয়ে দিন।
৮। প্রচুর সবুজ শাক-সবজি খান। বিশেষ করে, সজনে পাতা, কচু চোখের জন্য খুবই উপকারী।

চোখের পাওয়ার জনিত সমস্যা সমাধানের কোনো ওষুধ আছে কি?

মাথা ব্যাথা করলে যেমন প্যারাসিটামল খেলে সেরে যায়, বা টাইফয়েড হলে যেমন এন্টিবায়টিক খেলে বা ইনজেকশন দিলে সেরে যায়। চোখের পাওয়ার জনিত সমস্যার বিষয়টা ঠিক তেমন নয়। চোখের সমস্যার কারণ নির্ধারন করে সেটার চিকিৎসা করলে চোখ ঠিক হতে পারে। তাছাড়া, ডাক্তাররা বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে আপনাকে ওষুধ দেয়। এজন্য, ডাক্তারদেরকে দেখার সমস্যার পাশাপাশি, পানি পড়ে কি না, চোখ চুলকায় কি না, এলার্জি আছে কিনা বিস্তারিত বলতে হয়। সব ডাক্তার এসব বিষয় নিজে থেকে জিজ্ঞেস করে নেয়।

তবে, এখন পর্যন্ত কোনো চিকিৎসক নিশ্চয়তা দিতে পারবে না যে চশমা পড়লে আপনার চোখ একেবারই ঠিক হবে। তারা শুধু এটা গ্যারান্টি দেয় , চশমা পড়লে আপনি ভালো থাকবেন। চোখের জটিলতা বাড়বে না।

চোখের মাইনার পাওয়ার জনিত সমস্যা স্থায়ী সমাধান

চোখের সমস্যার কারণে চাকরি কিংবা চলার পথে যখন বাধার সম্মুখীন হবেন, তখন এই সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধানের কথা মনে পরে। আর তা হলো ল্যাসিক সার্জারি (Lasik Surgery)। এটাই সর্বাধুনিক চিকিৎসা। ল্যাসিক করানোর পর আপনার সারাজীবন আর দূরের জিনিস দেখতে সমস্যা হবে না।

আরো পড়ুন: ল্যাসিক কি? ল্যাসিক এর খরচ কত? বাংলাদেশে ল্যাসিক সার্জারির স্থান সমূহ ও বিস্তারিত

ল্যাসিক কি? ল্যাসিক এর খরচ কত? বাংলাদেশে ল্যাসিক সার্জারির স্থান সমূহ ও বিস্তারিত

ল্যাসিক কি? ল্যাসিক এর খরচ কত? বাংলাদেশে ল্যাসিক সার্জারির স্থান সমূহ ও বিস্তারিত
আস্সালামুআলাইকুম বন্ধুরা, ল্যাসিক কি? ল্যাসিক এর খরচ কত? বাংলাদেশে ল্যাসিক সার্জারির স্থান সমূহ ও বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আজকের লেখা। তাই, আর  কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।

femtosecond lasik technology
bettervisionguide.com

ল্যাসিক কি?

সাধারণত দূরে বা কাছে যাদের দেখতে সমস্যা হয়, মূলত যাদের জন্য ল্যাসিক সার্জারি। যারা দৃষ্টিশক্তির সমস্যার কারণে (+) বা (-) চশমা ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রেই বেশীরভাগ সময় চিকিৎসকগণ ল্যাসিক সার্জারি করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে ঠিক এগুলো ছাড়াও আরো কিছু চিকিৎসায় lasik সার্জারি করা হয়। লেজার রশ্মির মাধ্যমে এ সার্জারি করা হয়। ব্যাথাহীন, ঝুঁকিমুক্ত এ সার্জারি।

ল্যাসিক করার বয়স এবং সময়:

১৮ বছরের নিচে নয়, ২০ বছরে করলে বেশি ভালো হয়। তবে ২০ এর পর ২৫ এর আগে করাই উত্তম সময়। অর্থাৎ বয়স বাড়ার সাথে সাথে চোখের বৃদ্ধি /পরিবর্তন স্থিতিশীল হয়। তাই দেরিতে করাই উত্তম।

ল্যাসিক প্রযুক্তির প্রকারভেদ:

১) Microkeratome (মাইক্রোকেরাটোম) নামক যান্ত্রিক অতিসূক্ষ্ম একটি ব্লেড ব্যবহার করে।
২) Femtosecond (ফেমটোসেকেন্ড) নামে এক ধরনের Laser প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এতে কোন ব্লেড ব্যবহৃত হয় না বিধায় অধিক নিরাপদ।

ল্যাসিক এর খরচ কত এবং ল্যাসিক কোথায় করানো হয়?

ঢাকার মধ্যে কয়েকটি জায়গায় ল্যাসিক করানো হয়। ওএসবি ল্যাজার ভিশন সেন্টার তার মধ্যে একটি। মিরপুর – ২, হার্ট ফাউন্ডেশনের পাশে এর অবস্থান। খরচ প্রতি চোখ ১৭৫০০/=, সেই হিসাবে দুই চোখ ৩৫০০০/= (২০১৫ এর তথ্য অনুযায়ী)। ল্যাসিক প্রযুক্তির প্রকারভেদ অনুযায়ী খরচ কম বেশি হতে পারে। আর সার্জারী করতে পারবেন কিনা তার জন্য কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হবে, যাকে বলে প্রি ল্যাসিক, খরচ পরবে ২৫০০/=।  ল্যাসিক করানোর আগে প্রি ল্যাসিক টেস্ট বাধ্যতামূলক। এটার উপর নির্ভর করবে আপনার চোখ ল্যাসিক করার উপযুক্ত কি না।

আরো বিস্তারিত জানতে:

ল্যাসিক নিয়ে এনটিভির স্বাস্থ প্রতিদিন অনুষ্ঠানে ডাক্তার সিদ্দিকুর রহমানের বিস্তারিত আলোচনা শুনুন (ভিডিও)।

চশমার বিকল্প ল্যাসিক - এ টি এন বাংলার ফার্স্ট এইড নামক অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. শেখ এম এ মান্নাফ এর এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শুনুন (ভিডিও)।


আরো পড়ুন: চোখের মাইনাস পাওয়ার জনিত সমস্যার সমাধান

আপনার প্রশ্ন ও মতামত জানিয়ে কমেন্ট করুন। পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ।

নিজেই নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলুন

নিজেই নিজের ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানিয়ে ফেলুন
আস্সালামুআলাইকুম বন্ধুরা, আজকে আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে নিজেই পরিপূর্ণ প্রফেশনাল একটা ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাবেন। অনেকেই চিন্তা করে কিভাবে বিকাশ, রকেট সহ সকল দেশি পেমেন্ট সিস্টেম ওয়েবসাইট এ যোগ করতে হয়। তাই আজ ই-কমার্স সাইট এর সকল বিষয় নিয়ে থাকছে আমার এই লেখাটি।

ওয়ার্ডপ্রেস হলো পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় এবং সমৃদ্ধ একটি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। যার মাধ্যমে আপনি সহজে ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন এবং তা মেইনটেইন করতে পারবেন। তাই ওয়ার্ডপ্রেস WoodMart থিম দিয়ে কিভাবে একটি কমপ্লিট ইকমার্স ওয়েবসাইট বানাবেন সেটাই বর্ণনা করছি।

প্রথমেই বলা দরকার, একটা ভালো মানের পরিপূর্ণ ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানাতে পেইড থিম এর বিকল্প নেই। পেইড থিম এ সব কিছু এমন ভাবে সাজানো থাকে আপনার কোডিং জানা না থাকলো কোনো সমস্যা ছাড়াই আপনি আপনার ওয়েবসাইট মেইনটেইন করতে পারবেন। অপরদিকে, ফ্রি থিম গুলোতে আপনি নানা বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হবেন, যেটা আপনাকে বাধ্য করবে ফ্রি থিম কে পেইড থিম এ আপগ্রেড করতে। তাই প্রথমেই ভালো একটা পেইড থিম কেনার পরামর্শ থাকবে। ই-কমার্স শপ এর জন্য Woodmart একটি অসাধারণ  থিম। এর দাম ৫৯ ডলার বা ৫ হাজার টাকার কাছাকাছি।



WoodMart থিম এর সুবিধা সমূহ:

১) ড্র্যাগ & ড্রপ করে ওয়েবসাইট কাস্টোমাইজ করতে পারবেন।
২) মোবাইল ফ্রেন্ডলি
৩) কেউ যদি আপনার ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলে বিক্রেতা হিসেবে পণ্য বিক্রি করতে চায় তার জন্য  যে প্লাগিন গুলো প্রয়োজন তা এই থিম সাপোর্ট করে। প্লাগিন গুলো হচ্ছে, Dokan, YITH Multi Vendor, WC Marketplace, WC Vendors 
৪) ইমেইল এর পাশাপাশি, Facebook, Google, VK সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে রেজিস্টার/লগইন সাপোর্টেড
৫) বিকাশ, রকেট পেমেন্ট সিস্টেম এর প্লাগিন সহজে ইনস্টল করা যায় এতে।
৬) ইচ্ছা মতো ওয়েবসাইট এর কালার পরিবর্তনের অপশন।
৭) এছাড়া, প্রয়োজনীয় সকল প্লাগিন প্রি ইনস্টল করা আছে এতে।
৮) কুপন কোড/ ডিসকাউন্ট কোড সহ সকল প্রকার ফীচার আছে পাবেন এই থিম এ।
৯) শপ এর পাশাপাশি ব্লগিং এর জন্য সুন্দর অপশন আছে এতে।


কিভাবে ওয়েবসাইট সেটআপ করবেন:

১) প্রথমে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনতে হবে।
২) হোস্টিং এর সাথে ডোমেইন কানেক্ট করতে হবে।
৩) এর পর হোস্টিং এ অটো ইনস্টলার এর মাধ্যমে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করতে হবে।
৪) এরপর ওয়ার্ডপ্রেস এ উডমার্ট থিমটি ইনস্টল করতে হবে।
৫) এর পর ইচ্ছা মতো সেটি কাস্টোমাইজ করে প্রোডাক্ট যোগ করতে হবে।

এই পুরো প্রসেসটির বিস্তারিত ভিডিও টিউটোরিয়াল বানিয়েছেন Md. Fakrul Islam ভাই। তার ভিডিও টি দেখে দেখে দেখে আপনি অনায়াসেই বানিয়ে ফেলতে পারবেন পুরো ওয়েবসাইটটি।
ভিডিওটি দেখুন: https://bit.ly/SetupWoodmart

ওয়ার্ডপ্রেসে বিকাশ রকেট পেমেন্ট গেটওয়ে যোগ করার পদ্ধতি (free): https://bit.ly/BkashRocket

ওয়ার্ডপ্রেসে সকল পেমেন্ট গেটওয়ে যোগ করার পদ্ধতি (Paid): https://bit.ly/AllPaymentGetway

ওয়ার্ডপ্রেসে একাধিক বিক্রেতা সিস্টেম যোগ করার পদ্ধতি: https://bit.ly/MultiVendorSystem


যেকোনো ধরণের সমস্যা কমেন্ট করুন। অথবা আমাকে ফেইসবুক পেজ এ মেসেজ করুন। আর আপনি আমার কাছ থেকে ওয়েবসাইটটি বানিয়ে নিতে চাইলে যোগাযোগ করুন।
ফেইসবুক পেজ: https://facebook.com/TrickyTalkFans

এই পোস্টটি শেয়ার করার মাধ্যমে আপনার ফেইসবুক ওয়াল এ সেভ করে রাখুন। এই পোস্ট এ উডমার্ট থিম এর সকল কাস্টোমাইজশন সম্পর্কিত বিষয় আপডেট করা হবে।

ক্যামেরা দিয়ে মুহুর্তেই গনিতের সমাধান করুন

ক্যামেরা দিয়ে মুহুর্তেই গনিতের সমাধান করুন
আপনার ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করে আপনার খাতায় লেখা বা বইয়ের যেকোনো গানিতিক সমস্যার উত্তর বের করুন মুহূর্তেই। অবাক হওয়ার মতোই বিষয়। আজকে তেমনি একটি এ্যাপ নিয়ে আমার এ রিভিউ।
Solve math using phone camera
Photo Credit: Chip.cz

এ্যাপটির নাম Photomath। গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে  Photomath লিখে সার্চ করলে এ্যাপটি পেয়ে যাবেন। এ্যাপটি ইনস্টল করার পর কিছু একসেস  Allow করতে বলবে; যেমন, ক্যামেরা, মিডিয়া। এগুলো করার পর আপনার কাজ শেষ। এখন খাতায় হাতের লেখা কোনো অঙ্কের উপর ধরলে এ্যাপটি সেগুলো সমাধান করে দেবে। আপনি নিজে ব্যবহার করলে এটার মজাটস বুঝতে পারবেন।
photo math app in google play store


এটা গাণিতিক, পূর্ণসংখ্যা, ভগ্নাংশ, দশমিক সংখ্যা, শিকড়, বীজগাণিতিক এক্সপ্রেশন, রৈখিক সমীকরণ / বৈষম্য, চতুর্ভুজ সমীকরণ / বৈষম্য, পরম সমীকরণ / বৈষম্য, সমীকরণের সিস্টেম, লগারিদম, ত্রিকোণমিতি, এক্সপোনেলিয়াল এবং লগারিথিক ফাংশন, ডেরিভেটিভ এবং ইন্টিগ্রাল, গ্রাফ সহ আরো অনেক কিছু সমর্থন করে।

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন। আর ট্রিকিটকে প্রতিদিন ভিজিট করুন নতুন নতুন সব বিষয় জানতে। ধন্যবাদ।

প্রাথমিকের সহকারী নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

প্রাথমিকের সহকারী নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ
প্রাথমিকের সহকারী নিয়োক পরীক্ষার রেজাল্ট

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৯ হাজার ৭৬৭ জন। সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর

নির্বাচিত প্রার্থীদের রোল নম্বরের তালিকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাওয়া যাবে।  এছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.mopme.gov.bd) এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইট (www.dpe.gov.bd) থেকে অনলাইন এ পাওয়া যাবে।

উত্তীর্ণদের তালিকা দেখতে ক্লিক করুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির ১ম ও ২য় মেধাতালিকার ভর্তি নির্দেশনা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির ১ম ও ২য় মেধাতালিকার ভর্তি নির্দেশনা
১ম ও ২য় মেধাতালিকায় যারা নির্বাচিতদের ভর্তির নির্দেশনা। ১ম মেধাতালিকার মধ্যে যারা মাইগ্রেশন করবে বা যে সাবজেক্ট পেয়েছে তার চেয়ে ভালো পাওয়ার জন্য আবেদন করবে।  তাদের জায়গা গুলো খালি হলে। সেই আসনগুলো ২য় মেধাতালিকায় শিক্ষার্থীরা পাবে। ২য় মেধা তালিকায় সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।  কারণ, অনেকে বিভিন্ন ভার্সিটিতে পড়ার জন্য জাতীয়তে ভর্তি হয় না।

অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির ১ম ও ২য় মেধাতালিকার ভর্তি নির্দেশনাসমূহ:

  • প্রথম মেধাতালিকায় আপনার নিশ্চয়নের SMS পেলে অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তির ফরম প্রিন্ট করে রেজিস্ট্রেশন ফিসহ সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে নির্ধারিত সময়ে।
  • ভর্তি হওয়ার জন্য নির্ধারিত একটা সময় দেয়া হবে। সেই সময়ে ভর্তি হতে হবে।
  • ভর্তির জন্য সোনালী ব্যাংক পেমেন্ট করতে,  পেমেন্ট স্লিপ প্রিন্ট করে নিতে হবে। এরপর সোনালী ব্যাংক এর যে কোনো শাখায় গিয়ে পেমেন্ট করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি নিকটস্থ ইন্টারনেট ভিত্তিক সেবাদান কোনো দোকানে গিয়ে সাহায্য নিতে পারেন।
নিজে করতে চাইলে: ভর্তি নির্দেশনাটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে

এছাড়া ভর্তির সময় নিচে একাডেমিক কাগজ পত্রগুলো প্রস্তুত রাখতে হবে। ভর্তির জন্য ইটা খুব গুরুত্ব পূর্ণ:
  • অনলাইন থেকে মূল আবেদন ফর্মের – ২ সেট ( অবশ্যই A4 অফসেট সাদা কাগজেকালার প্রিন্ট করতে হবে)।
  • প্রাথমিক আবেদনের প্রবেশপত্র -২সেট।
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি ৪টি এবং স্ট্যাম্প সাইজ ৪টি পেছনে নাম লিখে দিতে হবে (কলেজভেদে কম বেশি হতে পারে)।
  • এসএসসি ও এইচএসসি এর সনদপত্র/প্রশংসা পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
  • এসএসসি ও এইচএসসি  মূল নম্বরপত্রের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
  • এসএসসি ও এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ডের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
  • টাকা জমার রশিদ।
  • চারিত্রিক সনদপত্র (সাধারণত লাগেনা, কোন কোন কলেজে লাগতে পারে) – ২ টি।
  • উল্লেখ্য, সকল কাগজপত্র ২ কপি করে ২সেট বানাতে হবে যার এক কপি বিভাগীয় সেমিনারে এবং এক কপি অফিসে জমা দিতে হবে।


ভর্তি ফিঃ কলেজ ভেদে ভর্তি ফী ভিন্ন হয়ে থাকে।  সরকারি তে ৩-৫ হাজার এর মধ্যে হয়ে যায়। আর বেসরকারিতে ১০ হাজারের মধ্যে হয়।



জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির ১ম মেধাতালিকার ভর্তি নির্দেশনা

প্রথম মেধাতালিকায় সুযোগ হয়নি?

প্রথম মেধাতালিকায় সুযোগ না পেলে দ্বিতীয় মেধা তালিকার নিৰ্দেশনা অনুসরণ করুন


ফলাফলের ধাপসমূহ:
  • ১ম মেধাতালিকা।
  • ২য় মেধাতালিকা (আসন খালি থাকা সাপেক্ষে) ও মাইগ্রেসন।
  • কোটা ও ও মাইগ্রেসন এর মেধাতালিকা।
  • রিলিজ স্লিপ এর আবেদন এবং
  • রিলিজ স্লিপ এর মেধাতালিকা।



অনার্সে আবেদন ও ভর্তি সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের উত্তর

অনার্সে আবেদন ও ভর্তি সংক্রান্ত সকল প্রশ্নের উত্তর
অনার্স ভর্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে ভর্তির আবেদন সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব প্রায় সবার মনেই কাজ করে। তাই চলুন কথা না বাড়িয়ে বিষয়গুলো পরিষ্কার হওয়া যাক।

১) অনার্সের ভর্তির আবেদন ফর্ম এ ভুল হলে কি করবো?

আবেদন ফর্ম এ ভুল হলে বা কোনো কিছু সংশোধন করতে হলে ফরমটি একবার cancel করে পুনরায় আবেদন করা যাবে। কলেজ কর্তৃক আবেদন ফরম নিশ্চিত হলে তা আর Cancel করা যাবে না।  মনে রাখবেন শুধু ১ বার ক্যানসেল করতে পারবেন 

২) অনার্সের ভর্তি ফর্মের সাথে কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হবে?

অনলাইনে আবেদন করার পর আপনাকে যে প্রিন্ট করা আবেদন ফর্মটি দেওয়া হবে তার নিদৃষ্ট স্থানে আপনার সাক্ষর ও আপনার অবিভাবকের সাক্ষর দিতে হবে। এরপর, আবেদন ফর্মের সঙ্গে আপনার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষার সত্যায়িত নম্বরপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ডের সত্যায়িত ফটোকপি ও আবেদন ফি বাবদ ২৫০/- টাকা সংশ্লিষ্ট কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে৷ (কাগজপত্র আপনার উচ্চ মাধ্যমিক এর কলেজ থেকে সত্যায়িত করে নিতে পারেন।)

৩) ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছি কি না জানবো কিভাবে?

  • কলেজ কর্তৃপক্ষ যে সকল আবেদন অনলাইনে নিশ্চয়ন করবে সে সকল শিক্ষার্থীদের ফোনে  SMS এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। প্রাথমিক আবেদন নিশ্চয়নের SMS পেলে বুঝতে হবে আপনি ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। এটাকে প্রথম মেধা তালিকার রেজাল্ট বলা হয়।
  • যদি আপনার প্রথম মেধাতালিকায় নিশ্চয়ন না হওয়ার SMS আসে, তাহলে দ্বিতীয় মেধাতালিকার রেজাল্ট এর জন্য অপেক্ষা করুন। দ্বিতীয় মেধা তালিকার জন্য একই ভাবে মেসেজ আসবে।(প্রথম মেধাতালিকার আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ও মাইগ্রেসন)
  • আর কোনো প্রার্থী তার মোবাইল ফোনে যদি কোনো SMSই  না পায় তাহলে বুঝতে হবে আবেদন ফরমটি কলেজ কর্তৃক নিশ্চয়ন করা হয় নি । এক্ষেত্রে প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট কলেজে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগাযোগ করতে হবে। 


৪) ফলাফল প্রদানের ধাপসমূহ:

মেধাতালিকায় যার জিপিএ বেশি থাকবে সেই সুযোগ পাবে। ফলাফল কয়েকটি ধাপে প্রকাশিত হবে। (নিচে ধাপগুলোর উপরে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিন) যেমনঃ


৫) রেজাল্ট জানার নিয়মসমূহ:

i) SMS এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

ii)  আপনি নিজে থেকে SMS করে জেনে নিতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে
NU<space>ATHN<space>Roll নো লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

এখানে, NU= National University
ATHN= Admission Test Honours
Admission Roll No= অনলাইনে ভর্তির আবেদন ফরমে প্রাপ্ত রোল নম্বর।

iii) এছাড়া অনলাইনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ফলাফল জানতে নিচের লিংকে গিয়ে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফর্ম এ প্রাপ্ত রোল নম্বর ও পিন নম্বর টাইপ করে লগিন করুন।
..
অফিসিয়াল সাইট থেকে ফলাফল দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন


৬) ভর্তি পদ্ধতিঃ

ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই SSC ও HSC এর রেজাল্ট এর ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করানো হবে। প্রতিটি কলেজের জন্য আলাদাভাবে মেধাতালিকার ভিত্তিতে এবং শিক্ষার্থীদের সাবজেক্ট পছন্দদের ক্রম অনুযায়ী ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির নির্ধারিত হবে।

একই প্রতিষ্ঠান/কলেজে একই বিষয়ে দুই বা ততোধিক আবেদনকারীর প্রাপ্ত ফলাফল একই হলে সেক্ষেওে এ সকল আবেদনকারীর পর্যায়ক্রমে

I) ৪র্থ বিষয়সহ SSC ও HSC পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর যথাক্রমে ৪০% ও ৬০%

ii) প্রয়োজন হলে SSC ও HSC পরীক্ষার মোট প্রাপ্ত নম্বরের যথাক্রমে ৪০% ও ৬০% বিবেচিত হবে 

iii) এর পরেও যদি দুই বা ততোধিক আবেদনকারীর প্রাপ্ত ফলাফল একই হয়, তা হলে যার বয়স কম হবে তাকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

আরো পড়ুন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির ১ম ও ২য় মেধাতালিকার ভর্তি নির্দেশনা

৭) কিছু পরামর্শ:

যাদের জিপিএ কম, ভালো বা জনপ্রিয় কলেজ গুলোতে ভালো সাবজেক্ট পাওয়া না পাওয়া নিয়ে সন্দেহ করছেন। তারা অপেক্ষাকৃত কম জনপ্রিয় কলেজে গুলাতে আবেদন করতে পারেন। কারণ এগুলোতে প্রতিযোগিতা কম।
আর যাদের জিপিএ একবারই কম। তারা বেশি জনপ্রিয় কলেজে আবেদন করলে, প্রথম মেধাতালিকা বা দ্বিতীয়  মেধাতালিকাতে সুযোগ নাও হতে পারে। ফলে রিলিজ স্লিপ নিয়ে অন্য কলেজে যেতে হতে পারে। ততক্ষনে হয়তো সেই কলেজ গুলতেও ভালো সাবজেক্ট এর আসন গুলো পূরণ হয়ে গেছে।
তাই আবেদন করার আগে, কোনো বড় ভাই এর পরামর্শ নিন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি সংক্রান্ত জরুরী লিংকসমূহঃ

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ডাউনলোড

ভর্তি নির্দেশিকা ডাউনলোড


কোনো প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।